Bangla Jokes - বাংলা জোকস

বাংলা কৌতুক ও হাসির গল্প

বিষয়বস্তু

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া চট্টগ্রাম বিষয়ক একটি গল্প

চট্টগ্রামের এক লোক বৃষ্টির পানির মধ্যে ড্রেনে পড়ে মারা গেলেন। তিনি স্বর্গে গিয়ে দেখলেন বিশাল এক দেয়াল। সেই দেয়ালখানা ঘড়িতে পরিপূর্ণ। তা দেখে মৃত লোকটি স্বর্গের দূতকে জিজ্ঞাসা করলেন, এখানে এতগুলো ঘড়ি কেন? স্বর্গের দূত: এগুলো হল মিথ্যা ঘড়ি। প্রত্যেক মানুষের জন্য একটি...

বিলিতি ও দেশী

বিলিতি ও দেশী কবি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় একদিন রায়পুরে এক দরবারে অদ্ভুত পোশাক পরে হাজির হলেন। কী রকম? ধুতি-চাদর-লালকোট--বিলিতি টুপি! উপস্থিত সকলেই তাঁর এই বেশ দেখে অবাক! কমিশনার সাহেব হেসে বললেন, আপনি পাগল নাকি মশাই! না হলে এরকম পোশাক পরে কেউ আসে?’ দ্বিজেন্দ্রলাল রাগ...

ইটের বদলে পাথর

ইটের বদলে পাথর কবি দ্বিজেন্দ্ৰলাল রায় একদিন গল্প করছিলেন এক ইংরেজের সঙ্গে। কথায় কথায় সেই ইংরেজ ব্যক্তিটি বললেন, ‘হিন্দু ধর্মটা মিথ্যা, কারণ তাহারা পৌত্তলিক।’ নিজ ধর্ম সম্পর্কে ইংরেজের মুখে এহেন মন্তব্য শুনে দ্বিজেন্দ্রলালের মাথা গরম হয়ে গেল। তিনি পিঠোপিঠি বললেন,...

টাইটেল

টাইটেল কবি-নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায় অনেকের কাছে ডি.এল রায় নামে পরিচিত। একদিন সকালে তিনি নিজের ঘরে বসে একটি নাটক রচনা করছেন। এমন সময় এক স্বল্প পরিচিত ব্যক্তি তার সঙ্গে দেখা করতে এলেন। লোকটিকে দেখে কলম থামিয়ে চশমা হাতে দ্বিজেন্দ্রলাল বললেন, ‘কী ব্যাপার বলুন?’ লোকটি...

রসের সাগর

রসের সাগর রবীন্দ্ৰনাথ ইন্দিরা দেবীকে বিশেষ স্নেহ করতেন। ইন্দিরা দেবীও ভক্তি করতেন গুরুদেবকে। ইন্দিরা দেবী প্ৰতিদিন লরেটো কলেজে পড়তে যেতেন। তিনি যেতেন গাড়ি করে। যাবার সময় তিনি প্রতিদিন দেখতেন, বড় রাস্তার মুখে একজন সুসজ্জিত যুবক দাঁড়িয়ে। বাড়ির বড়দের নজরে এল ব্যাপারটা।...

চির কুমার

চির কুমার রবীন্দ্ৰনাথ একবার দক্ষিণাত্যে যাচ্ছিলেন। ট্রেন যাত্রার সময় বড় বড় স্টেশনে ট্রেন থামা মাত্রই ভক্তের দল কবিকে মালা পরিয়ে যাচ্ছিলেন। কবি তখন তার সঙ্গী অ্যভুজকে বললেন, ‘আমি বড় ক্লান্ত, তুমি ওদের বুঝিয়ে বল। ওদের সঙ্গে কথা বল।’ তো। তাই মেনে নিলেন অ্যাভুজ। ভোর...

খালি ওষুধ খায়

খালি ওষুধ খায় শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্ৰনাথ সবার দিকে সমান নজর রাখতেন। কেউ অসুস্থ হলে কবি ঠিক বুঝতে পারতেন। একদিন শৈলজারঞ্জনকে তিনি বলেন, ‘কী ব্যাপার, গলাটা ধরা ধরা লাগছে, শরীর ভাল নেই নিশ্চই।’ শৈলজারঞ্জন স্বীকার করে বলেন, ‘হ্যাঁ গুরুদেব, শরীরটা ভাল যাচ্ছে না।’...

ভদ্রলোক

ভদ্রলোক রবীন্দ্ৰনাথ জোড়াসাঁকোয় এসেছেন শুনে তার সঙ্গে দেখা করতে এলেন হেমন্তবালা দেবী। কিন্তু যখন হেমন্তবালা এলেন, কবি তখন ঘরে ছিলেন না। কিন্তু এসেছেন যখন দেখা করেই যাবেন---এই সিদ্ধান্ত নিয়ে হেমন্তবালা দেবী কবির ঘরে বসে অপেক্ষা করতে লাগলেন। কিছুক্ষণ চুপ বসে থাকার পর...

কবির দণ্ড

কবির দণ্ড বৃদ্ধ বয়সে রবীন্দ্রনাথ ভালভাবে হাঁটতে পারতেন না। তবু তিনি সারাদিন চুপকরে ঘরে বসে থাকতেও পারতেন না। একদিন তিনি আস্তে আস্তে হেঁটে কলাভবনে এলেন। সেখানে এসে তিনি চারদিকে তাকিয়ে বললেন, ‘কই? আমার দণ্ড কই?’ কবির কথা শুনে সবাই অবাক। গুরুদেবের হাঁটতে অসুবিধা হয় সবাই...

মালাবদল

মালাবদল প্রখ্যাত শিল্পী নন্দলাল বসুর কন্যা গৌরী দেবীর সঙ্গে যখন সন্তোষ ভঞ্জের বিয়ে হয় কবি তখন খুবই অসুস্থ। বিছানা থেকে নামতে পারতেন না কবি। তিনি তখন থাকতেন উদয়ণে। । গৌরী দেবী ফুল দিয়ে চমৎকার মালা গাঁথিতেন ও অলঙ্কার তৈরী করতেন। বিয়ের পর স্বামীকে নিয়ে গৌরী দেবী কবির...

নাম চুরি

নাম চুরি রবীন্দ্ৰনাথ একবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে ঢাকা শহরে যান এবং বিখ্যাত ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদারের অতিথি হন। রমেশচন্দ্রের পুত্রের বয়স নয়-দশ। তার ভাল নাম অশোক এবং ডাক নাম রবি। বাড়িতে স্বয়ং রবীন্দ্ৰনাথ এসেছেন! তাই রমেশচন্দ্ৰ বাড়ির সকলকে জানিয়ে দেন, যে...

মুখ্য সংস্করণ

মুখ্য সংস্করণ সালটা সম্ভবত ১৯৪০। রবীন্দ্রনাথ তখন অসুস্থ অবস্থায় বিশ্রাম নিচ্ছেন জোড়াসাঁকোর বাড়িতে। সেই সময় তিনি বিছানায় শোয়া অবস্থাতেই হাতমুখ ধুতেন, চুল আচড়াতেন। এ সব কাজ করিয়ে দেবার লোক ছিল। একদিন সকালে তিনি শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছেন, অনিলকুমার চন্দ সেইসময় এলেন তাঁর...

এক গ্লাস রস

এক গ্লাস রস রবীন্দ্ৰনাথ একদিন শান্তিনিকেতনের উত্তরায়ণের বারান্দায় বসে আছেন। সেই সময় শান্তিনিকেতনের শিক্ষক আচার্য ক্ষিতিমোহন সেন কবির সঙ্গে দেখা করতে এলেন। দু'জনে বসে গল্প করছেন, এমন সময় কবির খাস ভূত্য বনমালী কবিকে একটা সুন্দর কঁচের গ্লাসে কিসের রস দিয়ে গেল, কবি...

এপ্ৰিল ফুল

এপ্ৰিল ফুল কবি অক্ষয় চৌধুরী ছিলেন রবীন্দ্রনাথের দাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথের বন্ধু। তবু কিশোর রবির সঙ্গে তার খুব ভাব ছিল। রবীন্দ্ৰনাথ কিশোর বয়সেই অক্ষয় চৌধুরীর সঙ্গে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে নানারকম আলোচনা করতেন। একবার পয়লা এপ্রিলের দিন জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়িতে অক্ষয় চৌধুরীর...

লালু

লালু রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনে বিকেলবেলা যখন চা খেতেন, তখন একটা কুকুর রোজ তাঁর পায়ের কাছে এসে বসত। কবি তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিতেন, আনন্দে লেজ নাড়ত কুকুরটা। রবীন্দ্রনাথ কুকুরটার নাম দিয়েছিলেন ‘লালু'। কারণ তার গায়ের রং ছিল। লাল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শরৎচন্দ্রের একটি...

গরম লুচি স্লো পয়জন

গরম লুচি স্লো পয়জন একদিন মহাত্মা গান্ধী রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে দেখা করতে এলেন। রবীন্দ্রনাথ তখন সুরুল কুঠিবাড়িতে ‘ফাল্গুনী’ নাটক লিখছিলেন। এই বাড়িতে পরবর্তীকালে বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা আচাৰ্য কৃপালনী কিছুদিন ছিলেন। মহাত্মা গান্ধী আসায় খুশি রবীন্দ্রনাথ। গান্ধীজী সূর্যাস্তের...

ঘুমের ব্যাঘাত

ঘুমের ব্যাঘাত কলকাতা থেকে কয়েকজন সাহিত্যিক রবীন্দ্ৰনাথের সঙ্গে দেখা করতে শান্তিনিকেতনে এসেছেন। কবি ক্ষিতীশকে বললেন, ‘দ্যাখো, এঁরা হলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক, বড় সেণ্টিমেণ্টাল।  এদের যত্নের যেন ত্রুটি না হয়, তুমি লক্ষ্য রেখা।’ রাত পেরিয়ে সকাল হল। সাহিত্যিকরা...

জোড়াসাঁকোর ভূত

জোড়াসাঁকোর ভূত রবীন্দ্রনাথ যখন শিলাইদহে পদ্মাবোটে স্ত্রী মৃণালিণী দেবীকে নিয়ে থাকতেন তখন এক বিধবা মহিলাকে রেখেছিলেন স্ত্রীকে সাহায্য করার জন্য। মহিলাটির একটা বাই ছিল, সে সব সময় পুরুষমানুষকে ভয় করত। কবির পদ্মাবোটে নানা লোকের যাতায়াত। আর সেটাই বড় সমস্যা মহিলাটির। এই...

কনক কলস মংপুত্রে মৈত্ৰেয়ী দেবীর বাড়িতে থাকার সময় একদিন রবীন্দ্ৰনাথ গাইছিলেন— “কেন বাজাও কঁকন কণ কণ কত ছল ভরে ওগো ঘরে ফিরে চল কনক কলসে জল ভরে কেন বাজাও-কেন বাজাও কঁকন কণ কণ” এই গান গাইতে গাইতে কবি বলে উঠলেন, ‘ইস, কী বোকাই ছিলুম তখন, নাহলে এমন লিখি? তবে এখন হলে...

কেমিক্যাল মিউজিক

কেমিক্যাল মিউজিক শুধুমাত্র রবীন্দ্রনাথের টানেই শৈলজারঞ্জন এম.এস.সি পরীক্ষায় রসায়নে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়েও শান্তিনিকেতনে চলে আসেন। তিনি ছিলেন রবীন্দ্রসঙ্গীতের ভক্ত। অধ্যাপনার পাশাপাশি যখন তার সংগীত চর্চ এগিয়ে চলেছে তখন কবিগুরু তাকে তুমি কী উত্তর দেবো?’ শৈলজারঞ্জন...

Page 1 of 24812345...102030...Last »

অলটাইম হিট