Bangla Jokes - বাংলা জোকস

বাংলা কৌতুক ও হাসির গল্প

বিষয়বস্তু

মিষ-টক

মিষ-টক খাদ্যরসিক রবীন্দ্রনাথ মাঝে মাঝেই শান্তিনিকেতনে তাঁর আত্মীয় ও বন্ধুদের নিমন্ত্রণ করে খাওয়াতেন। আসলে রবীন্দ্ৰনাথ যেমন খেতে ভালবাসতেন, তেমন খাওয়াতেও ভালবাসতেন। কবিগুরুর খাসভৃত্য বনমালী এই খাবারের ব্যবস্থা করত। একবার গরমকালে রবীন্দ্রনাথের কাছে এসেছেন তাঁর আত্মীয়...

দণ্ডনিও

দণ্ডনিও গুরুদেব রবীন্দ্ৰনাথ একদিন শান্তিনিকেতনের শিক্ষক নেপাল রায়কে একটি চিঠি লিখলেন--‘কাল বিকেলে আমার এখানে এসো ও চা পান করে দণ্ড নিও।’ চিঠি হাতে পেয়েই নেপাল রায়ের চক্ষু চড়কগাছা! গুরুদেব এমন কেন লিখলেন? চা পান না হয় ঠিক আছে, কিন্তু দণ্ড নেওয়ার কথা লিখলেন কেন! কী...

পিঠে পুলি

পিঠে পুলি রবীন্দ্রনাথ ঘরোয়া মিষ্টি ও পিঠেপুলি খেতে খুব ভালবাসতেন। তার পিঠেপুলিশ্ৰীতির কথা সকলেই জানতেন। শুরুদেব তখন শান্তিনিকেতনে। এক শীতের রাতে আশ্রমের এক শিক্ষকের স্ত্রী রবীন্দ্রনাথের জন্য পিঠেপুলি তৈরী করে নিয়ে এলেন। খুব যত্ন করে তৈরী করেছেন, কারণ রবীন্দ্ৰনাথ...

বাঘ শিকারের গল্প

বাঘ শিকারের গল্প রবীন্দ্রনাথের কাছে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকমের মানুষ আসতেন। একদিন সন্ধেবেলায় বিখ্যাত শিকারী কুমুদনাথ চৌধুরী এসেছেন রবীন্দ্রনাথের কাছে। হাতে শিকারের বন্দুক। এসেই তিনি গুরুদেবের কাছে সগর্বে নিজের বাঘ শিকারের গল্প করতে লাগলেন। গল্পের মাঝে তিনি...

উপরি

উপরি একবার ২৫ শে বৈশাখ রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন পালনের ব্যবস্থা হয়েছে কালিম্পং-এ। তাই সেদিন সেখানে সাজো সাজো রব। সকাল থেকেই অনেকে আসছেন কবিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে। কবিসকলের সামনে ‘জন্মদিন’ নামে একটি নতুন কবিতা পড়লেন। বিখ্যাত চিকিৎসক মনমোহন সেন সেদিন কবির সঙ্গে দেখা...

সাড়ে পাঁচটা

সাড়ে পাঁচটা এক সাহিত্যসভায় যাবার নিমন্ত্রণ পেয়েছেন রবীন্দ্রনাথ। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, সভা শুরু হবে ঠিক সাড়ে পাঁচটায়। সময়কে প্ৰচণ্ড গুরুত্ব দিতেন গুরুদেব। কথা দেব অথচ কথা রাখব না-এটা তার পছন্দ ছিল না। উদ্যোক্তাদের তিনি জানিয়ে দেন সভার দিন যথা সময়ে পৌছে যাবেন।...

হিংসা প্ৰবৃত্তি

হিংসা প্ৰবৃত্তি শান্তিনিকেতনে কবিগুরুর ঘরে একদিন অধ্যাপক বিধুশেখর শাস্ত্রী ও অন্যকয়েকজন বসে হাল্কা গল্পগুজব করছিলেন। কবিগুরু তাদের কথাবার্তা মন দিয়ে শুনছিলেন। এমন সময় আচমকা কবিগুরু বিধুশেখর শাস্ত্রীকে বলে উঠলেন, ‘শাস্ত্রীমশাই, আপনি এতদিন যে বৌদ্ধশাস্ত্ৰ অধ্যয়ন...

জোড়াসাঁকো নয়

জোড়াসাঁকো নয় রবীন্দ্ৰনাথ কিছুদিন শিলাইদহে পদ্মা নদীর ওপর বজরায় বাস করেন। নদীর চরের গায়ে পাশাপাশি বাঁধা দুটি বজরা। মনোরম পরিবেশ, সাহিত্যচর্চার জন্য এর থেকে ভাল জায়গা আর কী হতে পারে! দুটি বজরার একটিতে রবীন্দ্রনাথ, অন্যটিতে শান্তিনিকেতনের অধ্যাপক অজিতকুমার চক্রবর্তী...

বপুখানি

বপুখানি নিত্যানন্দ বিনোদ গোস্বামী শান্তিনিকেতনে নতুন অধ্যাপক হয়ে এসেছেন। তিনি যেমন পণ্ডিত, তাঁর চেহারাটাও তেমনি বিশাল। তিনি রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে প্ৰথম দেখা করতে গেলে গুরুদেব তাকে ‘আপনি’ সম্বোধন করে কথা বলেন। এতে নিত্যানন্দ বড়ই বিব্রিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রঙ্গ রসিকতা...

বিসর্জন মহড়ায়

বিসর্জন মহড়ায় রবীন্দ্রনাথের নাটক নিয়ে তখন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি মেতে উঠেছে। নিয়মিত রিহার্সাল চলছে। একদিন একটি বড় হল ঘরে ‘বিসর্জন’ নাটকের মহড়া চলছে। রবীন্দ্ৰনাথ স্বয়ং উপস্থিত সেই মহড়ায়। আর থাকবেন নাই বা কেন, নাটকে তিনি নিজে অভিনয় করছেন জয়সিংহের চরিত্রে। দীনু ঠাকুর বা...

চিরঋণী

চিরঋণী শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্ৰনাথ একজনকে গল্প করতে করতে বলেছিলেন, ‘একটি লোক আমার কাছে এসে দশ টাকা ধার নিয়ে গিয়েছিল। নেবার সময় বলেছিল—গুরুদেব, আমি আপনার কাছে চিরঞ্চণী রইলাম। এ কথা বলে রবীন্দ্রনাথ কিছুক্ষণ চুপ থেকে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেছিলেন, ‘লোকটা কিন্তু সত্যবাদী ছিল,...

কুঁজোর জল

কুঁজোর জল সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বা বনফুল একবার ভাগলপুর থেকে শান্তিনিকেতনে এসেছেন। রবীন্দ্ৰনাথের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন। রবীন্দ্ৰনাথ তখন আছেন উত্তরায়ণে। বনফুল রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে এগারোটার সময় দেখা করতে এলেন। বনফুল ঘরে ঢুকে দেখলেন রবীন্দ্রনাথ একটা বিরাট ঘরে...

বলাই

বলাই সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়, যাঁর ছদ্মনাম বনফুল, এক সভায় বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তাঁর বক্তৃতা শেষ হলে সবাই তাঁর বলার প্রশংসা করলেন। সভায় উপস্থিত রবীন্দ্রনাথও তাঁর বক্তৃতার প্রশংসা করে বললেন, ‘একটা কথা আপনারা সবাই ভুলে যাচ্ছেন কেন--বলাই তো ভালই বক্তৃতা দেবে, ওর নামই...

সানাই

সানাই এক ভদ্রলোক প্রথমবার শান্তিনিকেতনে এসেছেন। তিনি দেখা করতে গেলেন। রবীন্দ্ৰনাথের সঙ্গে। গুরুদেবের কাছে যাওয়ার আগে ভদ্রলোকটিকে শাস্তিনিকেতনের একজন মজা করার জন্য বললেন, ‘জেনে রাখুন, গুরুদেব আজকাল কানে কম শুনছেন। আপনি কথা বলার সময় শুরুদেবের কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে...

সজীব চেয়ার

সজীব চেয়ার রবীন্দ্ৰনাথ নিজেই ছড়া করে বলতেন-- ‘কোনদিন এত বুড়ো হবো নাকো আমি। হাসি তামাসারে যবে কবো ছ্যাবলামি।’ চিরারসিক রবীন্দ্ৰনাথ রঙ্গ রসিকতা করতে খুব ভালবাসতেন। একবার বেয়াই বাড়িতে গেছেন রবীন্দ্রনাথ। সেখানে কবিকে যথারীতি আপ্যায়ন করে একটা গদিমোড়া কেদারায় বসতে দেওয়া...

দাড়িশ্বর

দাড়িশ্বর রবীন্দ্ৰনাথ একদিন এক সংগীতের আসরে নিমন্ত্রিত হয়ে এসেছেন। কবি যখন এলেন, তখন আসরে সংগীত পরিবেশন করছেন বিখ্যাত ধ্রুপদ গানের শিল্পী গোপেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়। কবি তার গান শুনে মুগ্ধ। গোপেশ্বরের গাওয়া শেষ হলে উদ্যোক্তারা রবীন্দ্ৰনাথের কাছে এসে অনুরোধ করলেন,...

কবির রান্না

কবির রান্না রবীন্দ্রনাথ তার স্ত্রী মৃণালিণী দেবীকে ‘ভাই ছুটি’ বলে সম্বোধন করতেন। কবিতা লেখার পাশাপাশি রবীন্দ্ৰনাথ স্ত্রীর সঙ্গে মাঝে মাঝেই রঙ্গ রসিকতায় মেতে উঠতেন। একদিন কবি তাঁর স্ত্রীকে ডেকে বললেন, ‘তোমরা কী আর রান্না করতে জান? আমি আজ তোমাদের একটা নতুন রান্না...

নতুন বৌঠানের রান্না

নতুন বৌঠানের রান্না কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু কবি ছিলেন না, তিনি রসিকও ছিলেন। সময় সুযোগ পেলেই তিনি পরিচিত-অপরিচিত মানুষজনের সঙ্গে রঙ্গ রসিকতায় মেতে উঠতেন। রবীন্দ্ৰনাথ তখন বয়সে তরুণ। সবে মাত্র কবি হিসাবে তার নাম একটু একটু করে। ছড়াচ্ছে। সেই সময় তিনি নতুন কবিতা...

দিনের গালে

দিনের গালে সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র তখন অবসর গ্রহণ করেছেন। সেই সময় তিনি থাকতেন কলকাতার প্রতাপ চ্যাটাজী লেনে নিজের বাড়িতে। সেখানে একদিন তিনি ভেতরের রোয়াকে বসে মানে যাবার আগে খালি গায়ে তেল মাখছিলেন। এমন সময় সেখানে হাজির নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্র। দীনবন্ধু হঠাৎ দেখলেন...

দেমাকী

দেমাকী ‘সাধারণী’ পত্রিকার সম্পাদক অক্ষয়চন্দ্র সরকার সহ অনেকেই রসিকতা করে। বঙ্কিমচন্দ্ৰকে ‘দেমাকী’ বলে টিটকারী দিতেন। তবে বঙ্কিমচন্দ্র রাগ করতেন না। তিনি বঙ্কিমচন্দ্ৰ চট্টোপাধ্যায়ের রঙ্গ রসিকতা বলতেন, এক গুলির আড্ডায় আমার বইয়ের সমালোচনা হচ্ছিল। তাদের ধারনা...

Page 5 of 248« First...34567...102030...Last »

অলটাইম হিট